বৌদ্ধধর্ম: সৌহার্দ্য ও জীবনবোধ : ড. জ্ঞানরত্ন মহাথেরো



শীল, সমাধি ও প্রজ্ঞার অনুশীলনে জীবনের পূর্ণতা, দুঃখমুক্তি এবং সর্ব দুঃখের অন্তসাধন নির্বাণ উপলব্ধির প্রত্যয়ে ব্যক্তি চরিত্র, সামজিক শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা বৌদ্ধ ধর্মের প্রধানতম লক্ষ্য রাষ্ট্র এবং সমাজ। মানুষ নির্ভর তাই মানবতাবাদী। সমাজ বিনির্মানে চাই বুদ্ধের অহিংসা, সাম্য এবং মৈত্রীর অবলম্বন ও অনুশীলন বুদ্ধের শিক্ষা মানব জীবনের দুঃখমুক্তি, সমাজকল্যাণ এবং রাষ্ট্রীয় সমৃদ্ধির নানা নির্দেশনায় পরিপূর্ণ বুদ্ধের দৃষ্টিতে মানুষ হল দেহ ও মন সমন্বয় আর মনের বিক্ষিপ্ত গতি প্রকৃতিই মানুষের সমস্ত দুঃখের কারণ মানুষ মাত্রই এই বলয়ের আবর্তে  বুদ্ধ এই বৃত্ত ভাঙ্গার দৃপ্ত প্রত্যয়ে প্রচার করলেন তাঁর অনুপম শিক্ষা যেখানে মানুষই প্রধানতম উপজীব্য, নেই কোন জাত-পাত, উচু-নিচু, ধনী-গরীব, গোত্র-বর্ণের সংকীর্ণ সীমাবদ্ধতা নেই দেশ কাল সীমানা আর অন্ধ বিশ্বাসের আতিশয্য, আছে প্রত্যক্ষ ফলাফলের যথাযথ নির্দেশনা, যার অনুশীলেন সফল হয় দুঃখ মুক্তির প্রচেষ্টা এবং সুন্দর ও সার্থক হয়ে উঠে জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রের মঙ্গলময় প্রত্যাশা

বুদ্ধের দর্শনে মানবতার সংস্কৃতি হল আত্মজ্ঞানে বিশ্ব মৈত্রীর পরিচর্যা, বুদ্ধের অনুশাসন হল সর্বপ্রকার পাপ হতে বিরতি, কুশল কর্মের পরিপুর্ণতা এবং স্বীয় চিত্তের পবিত্রতা সাধন এ লক্ষ্য অর্জনে বুদ্ধের শিক্ষা প্রথমত; চরিত্র গঠন এবং সামাজিক শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যাচার এবং মাদক সেবনে বিরতির শিক্ষা তারপর দুঃখের অবসান, সত্যের সন্ধান এবং মুক্তির পথ অন্বেষণে আর্য্য অষ্টাঙ্গিক মার্গের অনুশীলন যেমন সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা,  সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি, সম্যক সমাধি  এই আটটি শিক্ষার যথাযথ অনুসরণ ও অনুশীলই শীল, সমাধি ও প্রজ্ঞার চর্চা, যা মানুষকে নিয়ে যায় প্রকৃত মনুষ্যত্বের বিকশিত শুদ্ধাচারে, জীবনবোধে পরিপূর্ণ মানুষের স্তরে যিনি কুশল অকুশলের পার্থক্য বুঝে পুণ্যপথের জীবন চর্চায় তাঁর কায়ে সংযত, বাক্যে সংযত, মনে সংযত যার নিজের শুদ্ধতায় আলোকিত হয় সমাজ, রাষ্ট্র আর মানুষের পারিপার্শ্বিকতা

মানুষই নির্ধারক সমাজ ও রাষ্ট্র চরিত্রের। তাই সমৃদ্ধশালী দেশ ও উন্নত সমাজ গঠনে জনগনের প্রতি বুদ্ধের উপদেশ হলো-
প্রথমতঃ সবসময় সম্মিলিতভাবে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা গ্রহণ
দ্বিতীয়তঃ জাতীয় কোন বিষয়ে আলোচনার জন্য সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ হওয়া
তৃতীয়তঃ পুরনো রাজনীতির প্রতি শ্রদ্ধাপ্রদর্শন, অপ্রাসঙ্গিকভাবে তা না বদলানো এবং প্রতিষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক নীতি নিয়ম ও ন্যায় বিচার রক্ষা করা
চতুর্থতঃ নারী ও বয়োজ্যষ্ঠদের সন্মান প্রদর্শন এবং সামাজিক ও পারিবারিক পবিত্রতা রক্ষা করা পঞ্চমতঃ পিতা মাতার প্রতি সদয় এবং শিক্ষক ও বয়োজ্যষ্ঠদের প্রতি বিশ্বাসী হওয়া
ষষ্ঠতঃ পুর্বপুরুষদের মন্দির বা শ্মশানাদির পবিত্রতা রক্ষা এবং তাঁদের উদ্দ্যেশ্যে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করা
সপ্তমতঃ নৈতিকতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, ধার্মিক ব্যক্তিদের সন্মান এবং সম্মানিত শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষাগ্রহণ এবং তাঁদেরকে যথাযথ সন্মানী দেওয়া

বৌদ্ধধর্মে জাতীয় এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতির চর্চা যেমন উন্মুক্ত তেমনি ধর্মীয় সংস্কৃতি ও ব্যাপক উৎসবের মাধ্যমে পালিত হয় বৌদ্ধদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পুর্ণিমা যা সারম্ভরে পালিত হয় জাতিসঙ্ঘসহ বিশ্বব্যাপী যার সাথে জড়িত গৌতম বুদ্ধের জন্ম, পরিনির্বাণ বা মৃত্যু এবং বুদ্ধত্ব লাভের এই ত্রিস্মৃতি এর বাইরে প্রবারণা পূর্ণিমা এবং কঠিনচীবর দানোৎসবও বৌদ্ধদের জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এছাড়া সঙ্ঘদান, অষ্ট পরিষ্কারদান বিবাহের সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা বৌদ্ধদের ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কৃতিকে বিশেষভাবে ধারণ করে বৌদ্ধধর্ম মানুষের প্রয়োজনেই ছড়িয়ে পড়েছে দেশে দেশে অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর সাধনায় মানব প্রগতিকে রক্ষন ও মুক্তিপথের সন্ধানে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়ে বুদ্ধের সার্বজনিন শিক্ষা বিভিন্ন দেশের স্ব স্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করেই এগিয়ে যাচ্ছে মুক্তিকামী মানুষের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণে

বৌদ্ধধর্মে ব্যক্তি, পরিবার এবং সামাজিক দ্বায়বদ্ধতার প্রতি বুদ্ধের উপদেশ সমুহের অনুসরণ ও প্রতিপালন, উন্নত সমাজ ও সুখী জীবন গঠনে রাখতে পারে অনন্য ভুমিকা বুদ্ধের শিক্ষা অনুসারে আমাদেরকে ছয়টি সত্যের দিক নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে তারপর প্রাজ্ঞতা ও ধার্মিকতার মাধ্যমে ওগুলো আচরণ করতে হবে এভাবেই আমরা সকল দুর্ভাগ্যকে অতিক্রম এবং ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে সফল ও সার্থক হতে পারব তবে তার আগে আমাদের চারপ্রকার অকুশল কাজ যথাঃ হত্যা, চুরি, ব্যভিচার ও মিথ্যাভাষণ বন্ধ এবং চারিপ্রকার অকুশল মন যথাঃ লোভ, দ্বেষ, মোহ ও ভয় কাতরতা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ছয় প্রকার ধন সম্পদ হানিকর কার্যকলাপে সতর্ক ও বিরতির শিক্ষা নিতে হবে
যেমনঃ
মাদকদ্রব্য সেবনের ইচ্ছা এবং বোকার মত আচরণ
গভীররাত পর্যন্ত জাগ্রত থাকা এবং মনের গভীরতা হারানো
অনিয়ন্ত্রিত সঙ্গীত এবং অশ্লীল বিনোদনের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়া
জুয়া খেলা
খারাপ সঙ্গীদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা
নিজের কর্তব্য সম্পাদনে অবহেলা

এখন চার প্রকার অকুশল কাজ, চার প্রকার অকুশল মন এবং ছয় প্রকার দোষ নিয়ন্ত্রণের পর আমরা বুদ্ধের ছয়টি দিকের প্রতি যথাযথ মনোযোগ দিতে পারি এখন জানা যাক এই ছয়টি দিকগুলো কি? পুর্বদিক মানে মাতাপিতা এবং ছেলেমেয়ে, পশ্চিমদিক মানে স্বামী এবং স্ত্রী, দক্ষিণদিক মানে শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রী, উত্তরদিক মানে সাধারণ মানুষ এবং তাঁদের বন্ধু, নিম্নদিক মানে প্রভু এবং দাসদাসী আর উর্ধদিক মানে বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যগণ এখানে প্রত্যেকের প্রতি প্রত্যেকের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালেনর মধ্যেই রয়েছে সমৃদ্ধি, সাফল্য এবং সামগ্রিক কল্যাণের অঙ্গীকার বুদ্ধ পারিবারিক মতানৈক্যে একে অন্যকে দোষারোপ না করে প্রত্যেকের নিজের মনকে পরিক্ষার মাধ্যমে সঠিক পথের সন্ধান করার কথা বলেছেন

তাছাড়া ব্যক্তি কল্যাণ ও সামগ্রিক মঙ্গলে মানুষকে আট প্রকার লোক ধর্ম লাভ-অলাভ, নিন্দা-প্রশংসা, আনন্দ-বেদনা এবং সুখ-দুঃখে অবিচলিত থেকে আপন কর্তব্য সম্পাদনের কথা বলেছেন। কারণ বুদ্ধের শিক্ষায় উদ্যমই জীবন, স্থবিরতা জীবন নয় বৌদ্ধধর্ম সহনশীলতা, ক্ষমা এবং সাম্যের আদর্শে মানবতাকেই প্রতিষ্ঠিত করেছে করুনাঘন বুদ্ধ তার উদারতায়, কারণ বুদ্ধের শিক্ষা জগতে শত্রুতার দ্বারা শত্রুতার অবসান হয় না, মিত্রতার দ্বারাই শত্রুতার অবসান হয় পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃণা কর এবং মাতা যেমন নিজের জীবন দিয়ে হলেও আপন পুত্রকে রক্ষা করে সেইরূপ সকল প্রাণীর প্রতি অপ্রমেয় মৈত্রীভাব পোষণ করবে তারপর একেবারে নির্দিষ্ট করেই বৌদ্ধদের প্রাত্যহিক প্রার্থনায় সংযুক্ত করেছেন বিশ্বজনীন আকুতি জগতের সকল প্রাণী সুখী হউক বুদ্ধ ছিলেন ধর্মীয় সীমাবদ্ধতার বাইরে বৃহত্তর ঐক্য এবং সম্প্রীতি সংরক্ষনের শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক কারণ আমরা বুদ্ধের শিক্ষায় পাই—

বুদ্ধং সরনং গচ্ছামি জ্ঞানের শরণ গ্রহণ করিতেছি
ধম্মং সরনং গচ্ছামি নীতির শরণ গ্রহণ করিতেছি
সংঘং সরনং গচ্ছামি একতার শরণ গ্রহণ করিতেছি

এভাবেই জ্ঞান, নীতি এবং একতার আদর্শকেই বৌদ্ধরা মনে করেন ধর্মের ছায়াতল যেখানে মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতিতে পায় মনুষ্যত্বের সন্ধান

বৌদ্ধধর্মে হিংসা বিদ্ধেষ পরিহার করে জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা করা হয়েছে ধর্মাচরনেরই অনুষঙ্গ আমরা দেখি মঙ্গল সূত্রে বুদ্ধ শিক্ষার্থীদের আহ্বান করেছেন বহু শাস্ত্র ও বহু শিক্ষায় প্রশিক্ষিত হতে, বলেছেন মুর্খতা পরিহার করে আত্মদ্বীপ হয়ে নিজেই নিজের অবলম্বন হতে বুদ্ধের শিক্ষায় আমরা জ্ঞান, বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের গভীরতম ধারণা পাই যেমন মৈত্রী সূত্রে বুদ্ধ বলেছেন দৃশ্যে বা অদৃশ্যে, কাছে বা দূরে সমস্ত প্রাণীর প্রতি অপ্রমেয় মৈত্রীভাব পোষণ করবে অথচ তখন অদৃশ্য কোন প্রাণীর ধারনাটাই ছিল কাল্পনিক যা বিজ্ঞানের কল্যাণে এখন বাস্তব আবার রতন সূত্রে বুদ্ধ কোটি শত সহস্র চক্কবাল বা গ্যালাক্সির কথা বলেছেন যার ধারণা আধুনিক শিক্ষায় বিগত শতকেও ছিল অমুলক আর তা আধুনিক শিক্ষার প্রসারে এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য তাছাড়া মনোজগতের শুদ্ধতায় আর আধ্যাত্মিকতার উৎকর্ষে বুদ্ধের আবিষ্কৃত বিদর্শন ভাবনার চর্চা এখন বিশ্বজনীন এবং এর ফল ও প্রভাব বিশ্ব স্বীকৃত বৌদ্ধ ধর্মে মৈত্রীর মাধ্যমেই সমস্ত অশান্তি মোকাবেলার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যার উদাহরণ আমরা দেখি দস্যু অঙ্গুলিমালকে সঠিক রাস্তায় ফেরাতে এবং বিপদগামী দেবদত্তকে রুখতে, বুদ্ধের অপরিসীম মৈত্রীর প্রভাবে বৌদ্ধধর্মের বিভিন্ন শিক্ষায় শান্তি এবং কল্যাণের পথে মানুষকে অপ্রমত্ততার সাথেই ধর্মাচরণ ও দায়িত্ত্ব পালেনর কথা বলা হয়েছে

বৌদ্ধধর্মে নারী এবং পুরুষের মূল্যায়ন মানুষ হিসেবে, লিঙ্গের পার্থক্যে নয় তারপরও ধর্মে নারী ও পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধ সচেষ্ট ছিলেন বলেই ভিক্ষুসঙ্ঘের পাশাপাশি ভিক্ষুণীসঙ্ঘ গঠন করেছিলেন এবং যেখানে রাজরানী থেকে ভিকারিনী, পতিতা থেকে সতীসাধ্বী সবারই সম্পৃক্ত হওয়ার অধিকার সার্বজনিনভাবেই উন্মুক্ত বৌদ্ধধর্মের প্রচার ও প্রসারে নারী ও পুরুষ অবদান রাখতে পেরেছে বৈষম্যহীন উদারতার কারণে সেই জন্যই বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে সুজাতা থেকে বিশাখা, আম্রপালি থেকে কৃশা গৌতমী সবার অবদান এবং অংশ গ্রহণ সর্বস্বীকৃত বৌদ্ধধর্মে ধর্মের নিয়ম কানুন প্রতিপালেন ধ্যান সমাধি এবং ধর্মীয় কৃত্যে নারী পুরুষের সমতা ঐতিহাসিক যা বঞ্চিত নারী অধিকার আদায়ের আন্দলেন বহমান প্রেরনার উৎস বৌদ্ধধর্মে ধর্মীয় উদারতা অবারিত এবং অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বৌদ্ধদের মনোভাব, আস্থা, মৈত্রী ও ভালোবাসায় পরিপুর্ণ কারণ বুদ্ধের শিক্ষায় বৌদ্ধরা প্রশিক্ষিত যেখানে ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে বৌদ্ধরা সমবেত উচ্চারণে এই শপথই ধারণ করেন যে সকল ধর্ম অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতে উৎপন্ন হবে সকল ধর্মের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা পোষণ করবে কাজেই জ্ঞান নীতি ও ঐক্যের সমন্বয়ে সৌহার্দ্য এবং সম্প্রীতির সার্বজনীন পরিমণ্ডল গড়ে তুলে-শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দুঃখ মুক্তির সঠিক পথনির্দেশনা বৌদ্ধধর্মের প্রতিষ্ঠিত আদর্শ
লেখক পরচিতি: ড. জ্ঞান রত্ন মহাথেরো ,সহযোগী অধ্যাপক ,পালি বিভাগ ,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার:

ফেইসবুক একাউন্ট দিয়ে কমেন্ট করুন।

ফটোগ্রাপি

জনপ্রিয় পোষ্ট

অনুসরণ করুন

facebook

ক্যাটাগরি

    প্রবন্ধ

সাম্প্রতিক পোষ্ট

অন্যান্য সাইট

  • Suttacentral
  • Kalpataruboi
  • Dhammatext

Featured Post

একটু সহানুভূতি : শ্রীমৎ অভিজ্ঞানন্দ ভিক্ষু

হে প্রভু—— মানবতার আকাশে আজ আগের মতো হয় না সোনালী স্নিগ্ধ ভোর জটপাকে কেটে যায় সময়ের প্রতিটি শাশ্বত প্রহর এ কেমন ঘোর, কী নিদা...

Pages

Theme Support

Need our help to upload or customize this blogger template? Contact me with details about the theme customization you need.